তোকমার বৈজ্ঞানিক নাম Hyptis suaveolens, একে স্থানীয়ভাবে বিলাতি তুলসি নামেও ডাকা হয়। তোকমা বীজের সাথে আমরা অনেকেই পরিচিত। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আশ, আয়রন, প্রোটিন, ক্যালরী। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে দেখেন প্রতি ১০০ গ্রাম ভক্ষণযোগ্য তোকমায় রয়েছে ২৩৩ কিলোক্যালোরি, ২৩ গ্রাম প্রোটিন ও ৪৮ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট। সাধারণত জুস কর্নার গুলোতে তোকমা দানা বেশি দেখা যায়। খেতে যে খুব বেশি সুস্বাদু তা কিন্তু নয় তোকমা দানার মধ্যে এমন কিছু উপাদান আছে যেগুলো আমাদের দেহের জন্য অনেক উপকারী। চলুন তাহলে আর জেনে নেয়া যাক তোকমা দানার কিছু বিশেষ গুনাগুন সম্পর্কে। লিখেছেন জাকিয়া তাজরিন লোপা-
দেহের ওজন কমাতে: তোকমা দানা দেহের ওজন কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। কারণ তোকমা দানায় রয়েছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড যা দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে। তোকমা দানের আঁশ থাকায় এটি যখন কোন পানিও বা জুসের সাথে খাওয়া হয় তখন এটি ক্ষুধা হ্রাস করে, পেট দীর্ঘ সময় ভরা রাখে।
তাপ কমাতে সাহায্য করেঃ তোকমা দানা দেহের তাপ কমাতে সাহায্য করে এজন্য গ্রীষ্মকালে সবাই তোকমা জানার শরবত বা জুস পান করে থাকে।
রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রন: রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণ রাখতে তোমার জুড়ি মেলা ভার। তোকমার বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শরীরের বিপাক ক্রিয়া ধীর করে দেয়া। যার ফলে কার্বোহাইড্রেট কে খুব সহজেই গ্লুকোজে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে। যাদের টাইপ টু ডায়াবেটিস রয়েছে তাদের জন্য তোকমা দানা যাদুর মত কাজ করে।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা আছে নিয়মিত তোকমা দানা খেতে পারেন। এতে করে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়ে যাবে। তারাও ছাড়াও যাদের হজমে সমস্যা তারাও নিয়মিত তোকমা দানা খেতে পারেন।
সতর্কতা: গর্ভবতী মা এবং শিশুদের তোকমা খাওয়া উচিত নয়।

0 মন্তব্যসমূহ